Srila Prabhupada & Tagore

Srila Prabhupada and Shri Rabindranath Tagore

Srila Prabhupada & Tagore

Three leading characters of Bengali literature:

Rabindranath Tagore has occupied the best place in the world of non-spiritual poetry and literature. He earned the title “Vishva Kavi” (world poet). He adorned the seat of “guru” among the poets. Thus he is called “Kaviguru.”.

This is a matter of great pride for society and the nation. On the other hand, transcendental Gaudiya Vaishnava literature has flourished in the world of spirituality. This credit goes to the combined efforts of Srila Bhaktivinoda Thakura and his adherent, Srila Bhaktisiddhanta Sarasvati Prabhupada. History says that there was a sweet bonding between the families of these two great literary personalities. Srila Bhaktivinoda Thakura and Srila Prabhupada had several interviews and conversations with prominent members of Jorasanko‘s Tagore family.

Description from Srila Bhaktivinoda Thakura’s Autobiography:

Srila Bhaktivinoda Thakura described his student life in his autobiography: Frequently in the evenings I visited the home of Sriyuta Debendranath Thakur, which was called Jora Shanko [the Tagore’s family mansion]. The honorable Dvijendranath Thakur was the older brother of my friend Sriyuta Satyendra Nath Thakura and my older brother as well. If ever among men there was a close friend then baro dada was that one. He was charitable, of good character, had a pure love, and was honest, and my heart was enlivened by him. Upon seeing him all my troubles would go away. I would sit by him and discuss many Sanskrit books. I had much affection for Satyendranath, but I was always overwhelmed by the great qualities of Dvijendranath Babu.

He was without attachment to worldly things, and when I was with him I was happy and gave up thoughts of material things. Therefore, staying with him was all good for me, but staying with others was not so good. At that time I read many books on the science of God, which was the particular science that affected the removal of anxiety from my heart. We discussed Kant, Goethe, Hegel, Swedenborg, Schopenhauer, Hume, Voltaire, and so on. Having discussed the books of many writers I reached a certain philosophical conclusion in my mind. Baro dada Dvijendranath heard my conclusions and after thinking deeply he replied, “0 brother Kedar, your understanding is very deep. I am not able to refute you.” Baro dada was a person of intellect. In the knowledge of the padarthas he was one without a second. ” Rabindranath Tagore was the youngest brother of Dwijendranath Tagore who was the eldest son of Debendranath Tagore.

Rabindranath Tagore came to meet Srila Bhaktivinoda Thakura & Srila Prabhupada
and sang a song for them:

One day in 1881 AD, Dwijendranath Tagore accompanied by Rabindranath Tagore came to Bhaktibhavana, Calcutta to meet Thakura Bhaktivinoda. At that time Vimala Prasad (Srila Prabhupada) was there. Rabindranath was dressed like a Punjabi man. Dwijendrababu jokingly told Bhaktivinoda Thakura, “He is from Punjab, his name is Bhanu Simha.” At that time Rabindranath Tagore gifted his book “Bhanusinghera Padavali” (poetry by Bhanu Simha) to Srila Bhaktivinoda Thakura. At the request of Bhaktivinoda Thakura, Rabindranath sang one of his famous songs ‘Mathuraya’ (At Mathura):

Audio version of this Song :

I tried to play the flute,
but the flute remained silent.

The breeze is blowing; the nightingales are singing.
The garden has worn the outfit of new blossoms.

I tried to play the flute,
but the flute remained silent.

The blooming Bakula trees bewilder me.
The humming of bumble bees reminds me;

Isn’t it Vrindavan?
Where is the moon-like face?

Are her anklets twinkling at the forest path?
I am sitting alone in the forest.

The wind drops my yellow garment off.
O friend, my heart gets dissolved remembering her moon-like face.

I tried to play the flute, but the flute remained silent.
O flute, kindly once sing, “Radhe Radhe” with the warmth of your heart.

The night is beautiful with the beams of a sweet moon.
Where is the anxious woman?

The Malati garland is getting withered.
My heart aches out of burning separation.

The night is passing away.
The poet of my heart is impatient.

What a mistake did my fortune make!
Why had the flowers bloomed tonight at Mathura?

I took an attempt to play my flute, but it was quiet.

Influence of Rabindranath’s songs on Srila Prabhupada:

Srila Prabhupada once said that he did not have much passion for music. But after listening to Rabindrababu’s songs, his passion for music increased a little. Because the words of Rabindranath were very clear. Prabhupada could not understand the verses sung by padavali singers of Mahohara sahi or Reneti genres as the words uttered by them were very indistinct. Srila Prabhupada never had any fondness for mere tune, quality, or rhythmic exercises. He loved words more. This was his special characteristic.

Srila Bhaktivinoda Thakura on Rabindranath Tagore’s Vaishnava Kirtan:

In Sajjanatoshani Patrika,Srila Bhaktivinoda Tagore Mahasaya wrote to Rabindranath Tagore —

“We would request Rabindrababu and Srishababu to carefully write a scientific history of Vaishnava Kirtan or a historical science book on it and please the Vaishnavas. The book would be an account on all raga-raginital-mana, and kirtan tunes. The biographies of RenetiGaranahati, and Manoharasahi Kirtan Acharyas and mahajanas should be described in detail.” (Sajjanatoshani 2.9)

Srila Prabhupada met Rabindranath Tagore at Jorasanko Thakura  (the family mansion of Tagores at Jorasanko):

As Srila Prabhupada expressed his desire to preach the teachings of Sri Caitanya Mahaprabhu throughout abroad, especially in European countries. On April 18, 1928, he met Rabindranath Tagore at Jorasanko Thakura Badi for his suggestion.

Rabindranath Tagore’s elder brother Dwijendranath Tagore was a close friend of Srila Bhaktivinoda Thakura. And Satyendranath Tagore was Srila Bhaktivinoda Thakura’s classmate. Two families bonding between the two families was very deep. Remembering this connection Srila Prabhupada went to Jorasanko Tagore’s mansion to meet Rabindranath. This made Rabindranath very happy. He welcomed Srila Prabhupada as an Acharya. Then he discussed the problems in the propagation of Sri Caitanya Mahaprabhu’s teachings in Western countries, especially European countries. In this context, Srila Prabhupada explained the profound conclusions of Sri Caitanya Mahaprabhu’s teachings.

Rabindranath Tagore had a sweet bond with
Srila Bhaktivinoda Thakura & Srila Prabhupada

শ্রীল প্রভুপাদ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সাহিত্য জগতের তিন উজ্জ্বল নক্ষত্রঃ

রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাসয় প্রাকৃত কাব্য ও সাহিত্য প্রতিভায় বিশ্বে সর্ব্বশ্রেষ্ঠ স্থান অধিকার করে “বিশ্বকবি” উপাধি সার্থক করার মাধ্যমে প্রাকৃত কবিকুলের গুরুপদে আসিন হয়ে “কবিগুরু” পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। এই ঘটনা দেশ সমাজ তথা জাতির পক্ষে অত্যন্ত গৌরবের বিশয়।

অপ্রাকৃত কবিশ্রেষ্ঠ ওঁ বিষ্ণুপাদ পরমহংশ সচ্চিদানন্দ শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর ও তাঁর অধস্তন কৃপাপাত্র গৌড়ীয়বৈষ্ণবাচার্য্য কুল চূড়ামণি জগদ্গুরু ওঁ বিষ্ণুপাদ পরমহংশ শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী প্রভুপাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অপ্রাকৃত তথা গৌড়ীয় বৈষ্ণব সাহিত্য বিস্তার লাভ করে কৃষ্ণভাবনাময় পরসাহিত্যে জগৎকে প্লাবিত করেছে।

ইতিহাস ঘাটলে দেখাযায় সাহিত্য জগতের এই দুই মহাপুরুষের পারিবারিক সম্বন্ধ ছিল অত্যন্ত মধুর। জোড়াসাকোর ঠাকুর পরিবারে বিশিষ্ট জনেদের সাথে শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর ও শ্রীল প্রভুপাদের একাধিকবার সাক্ষাৎকার এবং নানান প্রকারের সংলাপাদি হয়েছিল।

শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের আত্মচরিতের বর্ণনাঃ

শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর তাঁর আত্মচরিতে তাঁর ছাত্রজীবনের ঘটনা বর্ণন প্রসঙ্গে লিখেছেন—

“সন্ধ্যার পর অনেক দিবসই আমি ঘোড়াসাঁকো শ্ৰীযুত দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাটীতে বসিতাম। আমার সতীর্থ শ্রীযুক্ত সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ( দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বিতীয় পুত্র) বড় দাদা শ্রদ্ধাস্পদ শ্রীযুক্ত দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর আমারও বড় দাদা। যদি কখন মানবের মধ্যে আমার হৃদয়- বন্ধু থাকেন, তবে বড় দাদাই আমার হৃদয়-বন্ধু। তাঁহার উদার চরিত্র, স্বচ্ছ প্রেম ও সরলতা আমার হৃদয়ে সর্ব্বদা জাগ্ৰত আছে । আমি তাঁহাকে দেখিলে সমস্ত বিষয়-দুঃখ ভুলিয়া যাই । তাঁহার নিকট বসিয়া আমি অনেক সংস্কৃত- গ্রন্থ আলোচনা করিতাম । সত্যেন্দ্রের সহিত আমার যথেষ্ট প্রীতি থাকিলেও দ্বিজেন্দ্র বাবুর মহদ গুণে আমি সৰ্ব্বদা আকৃষ্ট ছিলাম। তিনিও নির্ব্বিষয়ী, আমিও বিষয়-চিন্তা ছাড়িলে সুখে থাকি ; সুতরাং তাঁহার সহবাস আমার যত ভাল লাগিত, তত আর কাহারও সহবাস ভাল লাগিত না । আমি ঐ সময়ে হৃদয়ের চিন্তা দূর করিবার জন্য বিজ্ঞান, বিশেষতঃ পরমার্থ-বিজ্ঞানের অনেক গ্রন্থ পাঠ করিতাম । বড় দাদাও আমার সঙ্গে সঙ্গে ঐ আলোচনার সহায় থাকিতেন। কান্ট, গেটে, হেগেল, সুইডেনবার্গ, শোপেন- হাউয়ার, হিউম, ভলটেয়ার প্রভৃতি অনেক লেখকদিগের পুস্তক আলোচনা করিয়া পদার্থতত্ত্ব-বিষয়ে আমার যে সিদ্ধান্ত হইল, তাহা বড় দাদা শুনিয়া বিশেষ চিন্তা করিয়া বলিলেন,—

‘ভাই কেদার, তুমি গম্ভীররূপে চিন্তা করিয়াছ। আমি তোমাকে হটাইতে পারিতেছি না।’ বড় দাদা বড় বুদ্ধিশালী লোক ছিলেন। পদার্থতত্ত্ব-জ্ঞানে তিনি একজন অদ্বিতীয় লোক।”

স্বনামধন্য দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জ্যেষ্ঠ পুত্র দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কনিষ্ঠ ভ্রাতাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর ও শ্রীল প্রভুপাদের নিকটে এসে গান শোনানঃ

১৮৮১ খ্রীষ্টাব্দে একদিন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সঙ্গেনিয়ে কলিকাতা ভক্তিভবনে ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের নিকটে এসেছিলেন। সেই সময় বিমলা প্রসাদ (শ্রীল প্রভুপাদ) সেই স্থানেই অবস্থান করছিলেন। তখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পাঞ্জাবি লোকেদের মতো পোষাক পরে ছিলেন। সেই কারণেই দ্বিজেন্দ্রবাবু কৌতুক করে ভক্তিবিনোদ ঠাকুরকে বলেন “ইনি পাঞ্জাব থেকে এসেছেন, ইনার নাম ভানুসিংহ।” সেই সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর মহাসয়কে নিজ রচিত ভানুসিংহের পদাবলী গ্রন্থটি উপহার হিসাবে দেন।

ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের অনুরোধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘মথুরায়’ নামক স্বরচিত সেই বিখ্যাত গানটি ধরেন—

এই গান এর (audio)

বাঁশরি বাজাতে চাহি , বাঁশরি বাজিল কই ?
বিহরিছে সমীরণ, কুহরিছে পিকগণ,

মথুরায় উপবন কুসুমে সাজিল ওই।
বাঁশরি বাজাতে চাহি, বাঁশরি বাজিল কই ?

বিকচ বকুল ফুল দেখে যে হতেছে ভুল,
কোথাকার অলিকুল গুঞ্জরে কোথায়!

এ নহে কি বৃন্দাবন? কোথা সেই চন্দ্রানন?
ওই কি নূপুরধ্বনি বনপথে শুনা যায়?

একা আছি বনে বসি, পীত ধড়া পড়ে খসি,
সোঙরি সে মুখশশী পরান মজিল সই।

বাঁশরি বাজাতে চাহি , বাঁশরি বাজিল কই?
এক বার রাধে রাধে ডাক্‌ বাঁশি, মনোসাধে,

আজি এ মধুর চাঁদে মধুর যামিনী ভায়।
কোথা সে বিধুরা বালা, মলিন মালতীমালা,

হৃদয়ে বিরহ-জ্বালা, এ নিশি পোহায়, হায়।
কবি যে হল আকুল, এ কি রে বিধির ভুল,

মথুরায় কেন ফুল ফুটেছে আজি লো সই?
বাঁশরি বাজাতে গিয়ে বাঁশরি বাজিল কই?

এই গানটি শুনে শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর ও শ্রীবিমলা প্রসাদ (শ্রীল প্রভুপাদ) অত্যান্ত আনন্দিত হন।

শ্রীবিমলা প্রসাদ (শ্রীল প্রভুপাদ) এর জীবনে রবীন্দ্রনাথের গানের প্রভাবঃ

শ্রীল প্রভুপাদ একসময় বলেছিলেন যে—তাঁর সঙ্গিতের প্রতি খুবএকটা স্পৃহা নাথাকলেও রবীন্দ্রবাবুর সেই গান শোনার পর সঙ্গিতের প্রতি অনুরাগ সামান্য কিছু বৃদ্ধি পায়, কারণ রবীন্দ্রবাবুর গাওয়া গানের শব্দগুলি অত্যন্ত স্পষ্ট ছিল। কিন্তু মহোহরসাহী রেণেটি প্রভৃতি পদাবলী গায়কগণ যে কৃষ্ণলীলা বিষয়ক পদ গান করেথাকেন তার উচ্চারিত শব্দ গুলি অত্যন্ত অস্পষ্ট হওয়ায় তিনি বুঝতে পারতেন না। কেবল সুর, মান, ও তালের কসরতের উপর শ্রীল প্রভুপাদের কোন অনুরাগ কোনদিন থাকেনাই। তিনি শব্দকেই বেশি আদর করতেন। এটাই তার জীবনের বিশেষ বৈশিষ্ট।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৈষ্ণবিয় কীর্ত্তন প্রসঙ্গে শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরঃ

সজ্জনতোষণী পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অনুরোধ করে শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর মহাসয় লিখেছিলেন,—

“আমরা রবীন্দ্রবাবু ও শ্রীশ বাবুকে অনুনয়পূর্ব্বক অনুরোধ করি যে, তাঁহারা যত্নপূর্ব্বক বৈষ্ণব কীর্তনের একখানি বৈজ্ঞানিক ইতিহাস বা ঐতিহাসিক বিজ্ঞানগ্রন্থ ঐ গ্রন্থে লিখিয়া বৈষ্ণবদিগকে যেন বিশেষ সুখী করেন । সমস্ত রাগ-রাগিণী, তাল-মান ও কীর্তনের সুর সমস্ত বিচারিত হইবে এবং রেণেটী, গরাণহাটী ও মনোহরসাহী কীর্তনের আচার্যদিগের জীবনী এবং তৎপরবর্ত্তী মহাজন- গণের সময় ও বিবরণ যতদূর পারেন, সংগ্রহ করিবেন।”
(সজ্জনতোষণী ২।৯)

জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথের সাথে শ্রীল প্রভুপাদের সক্ষাৎকারঃ

শ্রীল প্রভুপাদ বিদেশে বিশেষত ইউরোপিয়ান দেশ সমূহে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষা প্রচারের জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করায়, এই বিশয়ে কিছু পরামর্শ করবার জন্য তিনি ১৯২৮ খ্রীষ্টাব্দের ১৮ই এপ্রিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ীতে সাক্ষাৎ করেন।

শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড়ভাই দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল এবং সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের সহপাঠী ছিলেন, দুই পরিবারের পারিবারিক ঘনিষ্ঠতাও গভীর। এই সম্বন্ধ ধরে শ্রীল প্রভুপাদ রবীন্দ্রনাথের সাথে সাক্ষাৎ করবার জন্য জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ীতে যাওয়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অত্যন্ত উৎফুল্ল হয়েছিলেন এবং শ্রীল প্রভুপাদকে আচার্য্যোচিত সম্মান ও অভ্যর্থনা করে ছিলেন। এরপর পাশ্চাত্য দেশে বিশেষত ইউরোপিয়ান দেশ সমূহে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষা প্রচারের যে সকল বাধা বিঘ্ন আছে সে বিশয়ে আলোচনা করেছিলেন, এই প্রসঙ্গে শ্রীল প্রভুপাদ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষার গভীর সিদ্ধান্ত সমূহ কীর্ত্তন করেছিলেন।

শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর ও শ্রীল প্রভুপাদের সাথে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সুমধুর সম্বন্ধ |

श्रील प्रभुपाद और टैगोर

बंगाली साहित्य के तीन प्रमुख पात्र:

 भौतिकवाद कविताओं तथा साहित्य की दुनिया में रवींद्रनाथ टैगोर ने सर्वश्रेष्ठ स्थान प्राप्त किया है। उन्होंने “विश्व कवि”  की उपाधि अर्जित की। उन्हें सभी कवियों के बीच “गुरु” के आसन पर सुशोभित किया । इस प्रकार उन्हें “कविगुरु” कहा जाता है। यह समाज और देश के लिए बहुत ही गर्व की बात है। दूसरी ओर, आध्यात्मिक जगत में पारलौकिक  गौड़ीय वैष्णव साहित्य का विकास हुआ है। इसका श्रेय श्रील भक्तिविनोद ठाकुर और उनके अनुयायी, श्रील भक्तिसिद्धांत सरस्वती प्रभुपाद के संयुक्त प्रयासों को जाता है। प्राचीन काल में इन दोनों महान साहित्यकारों के परिवारों के बीच मधुर संबंध थे। श्रील भक्तिविनोद ठाकुर और श्रील प्रभुपाद ने जोरासांको के टैगोर परिवार के प्रमुख सदस्यों के साथ कई साक्षात्कार और संवाद हुए ।

श्रील भक्तिविनोद ठाकुर की आत्मकथा का विवरण:

श्रील भक्तिविनोद ठाकुर ने अपनी आत्मकथा में अपने छात्र जीवन का वर्णन किया: शाम को अधिकतर मैं श्रीयुत देबेंद्रनाथ ठाकुर(रवीन्द्रनाथ टैगोर के पिता) के घर जाता था, जिसे जोरा शंको [टैगोर की पारिवारिक हवेली] कहते थे । आदरणीय द्विजेन्द्रनाथ ठाकुर (श्रीयुत देबेंद्रनाथ ठाकुर के पुत्र) मेरे मित्र श्रीयुत सत्येन्द्रनाथ ठाकुर के बड़े भाई थे और मेरे भी बड़े भाई के समान थे। । इन सभी में सें मेरे सबसे घनिष्ठ मित्र थे बारो दादा(द्विजेन्द्रनाथ ठाकुर)। वह बहुत  परोपकारी ,चरित्रवान व ईमानदार थे। वह शुद्ध प्रेमी थे और उनके द्वारा मेरा ह्रदय हमेशा उत्साहित रहता था । उनके दर्शन कर लेने से मेरे सभी संकट दूर हो जाते थे । मैं उनके पास बैठता और कई संस्कृत पुस्तकों पर चर्चा करता। सत्येंद्रनाथ के लिए मेरा बहुत स्नेह था, लेकिन द्विजेंद्रनाथ बाबू के महान गुणों से मैं हमेशा अभिभूत रहता था।

उनका सांसारिक वस्तुओं से कोई लगाव नहीं था, और जब मैं उनके साथ रहता था तो मैं आनंद महसूस करता था और भौतिक वस्तुओं के बारे में सोचना छोड़ दिया था। इसलिए उनके साथ रहना मेरे लिए अच्छा था, लेकिन दूसरों के साथ रहना इतना अच्छा नहीं था। उस समय मैंने ईश्वरीय तत्व ज्ञान पर कई पुस्तकें पढ़ीं, इस विशेष ज्ञान ने मुझे इतना प्रभावित किया जिससे मेरे हृदय की सब चिंताएं नष्ट हो गई। हमने कांट, गोएथे, हेगेल, स्वीडनबॉर्ग, शोपेनहावर, ह्यूम, वोल्टेयर आदि पर चर्चा की। कई लेखकों की पुस्तकों पर चर्चा करने के बाद मैं एक निश्चित दार्शनिक निष्कर्ष पर पहुंचा। बारो दादा द्विजेंद्रनाथ ने मेरे निष्कर्ष को सुना और गहराई से सोचने के बाद उन्होंने उत्तर दिया, “केदार भाई, आपकी बहुत गहन सोच है। मैं आपका खंडन करने में सक्षम नहीं हूं। बारो दादा बुद्धिमान व्यक्ति थे। पदार्थों के ज्ञान में उनके जैसा कोई नहीं था अर्थात वह अद्वितीय थे । रवींद्रनाथ टैगोर द्विजेंद्रनाथ टैगोर के सबसे छोटे भाई थे जो देबेंद्रनाथ टैगोर के सबसे बड़े पुत्र थे।

रवींद्रनाथ टैगोर श्रील भक्तिविनोद ठाकुर और श्रील प्रभुपाद से मिलने आए और उनके लिए एक गीत गाया:

1881 ई. में एक दिन, द्विजेंद्रनाथ टैगोर ,रवींद्रनाथ टैगोर के साथ ठाकुर भक्तिविनोद से मिलने भक्तिभवन, कलकत्ता आए। उस समय विमला प्रसाद (श्रील प्रभुपाद) वही पर थे । रवींद्रनाथ ने पंजाबी कपड़े पहने हुए थे। द्विजेंद्रबाबू ने मजाक में भक्तिविनोद ठकुरा से कहा, “ये पंजाब के हैं, इनका नाम भानु सिम्हा है।” उस समय रवींद्रनाथ टैगोर ने श्रील भक्तिविनोद ठाकुर को एक पुस्तक “भानुशेरा पदावली” (भानु सिम्हा द्वारा लिखित ) उपहार में दी । भक्तिविनोद ठाकुर के अनुरोध पर, रवींद्रनाथ ने अपना एक प्रसिद्ध गीत ‘मथुराया’ (मथुरा पर) गाया:

इस गाने का (Audio) – 

 बंसोरी बजाते चाही, बंसोरी बजलो कई।
बिहरीचे समीरन, कुहुरीचे पिकगन।।

मथुराय उपोबन कुसुमे सजिलो ओई।
बिकोच बोकुल फुल देखे ते हते भूल ।।

कोधाकर अलीकुल गुनजोरे कोधाय।
ए नोहे की वृंदावन, कोथा सेई चंद्रोनन।।

ओई की नुपुर धनी, बन पथे सुना याय।
एका अच्छी बने बसी, पीत धारा परे खसी,

सोंगरी से मुखा शशी परान मजिलो सोइ। .
एक बार राधे राधे डाको बंशी मनोसाधे ।।

अजी ए मधुर चांदे मधुर जमिनि भाए।
कोधा से बिधूरा बाला – मोलिन मालति माला।।   

हृदय बिरह जबला, ए निशि पोहाय हय।
कभी जे होलो अकुल, ए की रे बिधीर भुल।।

मथुराय केन फुल फूटे छे अजी लो सोइ।।

श्रील प्रभुपाद पर रवींद्रनाथ के गीतों का प्रभाव:

एक बार श्रील प्रभुपाद ने कहा कि उन्हें संगीत के प्रति अधिक अनुराग नहीं था। लेकिन रवींद्रबाबू के गीतों को सुनने के पश्चात् संगीत के प्रति उनका उत्साह  थोड़ा बढ़ गया , क्योंकि रवींद्रनाथ के शब्द बहुत स्पष्ट थे। श्रील प्रभुपाद महोहरा साही या रेनेती शैली के पदावली गायकों द्वारा गाए गए छंदों को नहीं समझ पाए, क्योंकि उनके द्वारा बोले गए शब्द बहुत अस्पष्ट थे। श्रील प्रभुपाद को कभी भी मात्र सुर, सुर की गुणवता या लयबद्ध साधना के प्रति आकर्षित नहीं होते थे। उन्हें शब्दों से अधिक प्रेम था। यही उनका विशेष गुण था।

रवींद्रनाथ टैगोर के वैष्णव कीर्तन पर श्रील भक्तिविनोद  ठाकुर का अनुरोध :

 सज्जनतोशनी पत्रिका में, श्रील भक्तिविनोद ठाकुर महाशय ने रवींद्रनाथ टैगोर को लिखा –

हम रवींद्रबाबू और श्रीशबाबू से अनुरोध करते हैं कि वे वैष्णव कीर्तन पर वैज्ञानिक इतिहास या उस पर एक ऐतिहासिक विज्ञान पुस्तक लिखें और जिससेवैष्णवों को प्रसन्नता प्राप्त हो
यह पुस्तक सभी
रागरागिनियोंतालमनऔरकीर्तनकी धुनों पर आधारित होगी। रेनेटी, गारनाहटीऔरमनोहरसहीकीर्तन आचार्यों और महाजनों की जीवनी का विस्तार से वर्णन किया जाना चाहिए।
(सज्जनतोषनि 2.9)

श्रील प्रभुपाद ने रवींद्रनाथ टैगोर से जोरासांको (जोरसांको में टैगोर की पारिवारिक हवेली) में मुलाकात की:

  श्रील प्रभुपाद ने विदेशों में, विशेष रूप से यूरोपीय देशों में श्री चैतन्य महाप्रभु की शिक्षाओं का प्रचार करने की इच्छा व्यक्त की। 18 अप्रैल, 1928 को, उन्होंने अपने इस सुझाव के लिए जोरासांको ठाकुर बाड़ी में रवींद्रनाथ टैगोर से मुलाकात की।

रवींद्रनाथ टैगोर के बड़े भाई द्विजेंद्रनाथ टैगोर श्रील भक्तिविनोद ठाकुर के घनिष्ठ मित्र थे। और सत्येंद्रनाथ टैगोर श्रील भक्तिविनोद ठाकुर के सहपाठी थे। दोनों परिवारों के बीच परिवारिक संबंध काफी गहरा था। इस संबंध को याद करते हुए श्रील प्रभुपाद रवींद्रनाथ से मिलने जोरासांको टैगोर की हवेली गए। इससे रवीन्द्रनाथ बहुत प्रसन्न हुए। उन्होंने एक  श्रील प्रभुपाद का आचार्य के रूप में स्वागत किया। फिर उन्होंने पश्चिमी देशों, विशेषकर यूरोपीय देशों में श्री चैतन्य महाप्रभु की शिक्षाओं के प्रचार-प्रसार में आने वाली समस्याओं पर चर्चा की। इस संदर्भ में, श्रील प्रभुपाद ने श्री चैतन्य महाप्रभु की शिक्षाओं के गहन निष्कर्षों की व्याख्या की।

रवींद्रनाथ टैगोर का श्रील भक्तिविनोद ठाकुर और श्रील प्रभुपाद के साथ मधुर संबंध था |

Traducción Srila Prabhupada y Tagore

Tres líderes de la literatura bengalí: Rabindranath Tagore ocupó el más alto lugar en el mundo de la poesía no espiritual y literatura. Él obtuvo el título de “Vishva Kavi” (poeta del mundo). Él fue adornado con el asiento de “guru” entre los poetas. Siendo así, el es llamado “Kavi Guru”.

Este es un asunto que causa gran orgullo para la sociedad y la nación. Por otro lado, la literatura trascendental Gaudiya Vaishnava ha florecido en el mundo de la espiritualidad. Los méritos de esto van a los esfuerzos combinados de Srila Bhaktivinode Thakur y su seguidor, Srila Bhaktisiddhanta Sarasvati Prabhupada. La historia nos dice que existía un dulce lazo entre las familias de estas dos grandes personalidades literarias. Srila Bhaktivinode Thakur y Srila Prabhupada tienen diversas entrevistas y conversaciones con miembros prominentes de la familia de Jorasanko Tagore.

Descripción de la autobiografía de Srila Bhaktivinode Thakur

Srila Bhaktivinode Thakur describió su vida como estudiante en su autobiografía: frecuentemente en las tardes, yo visitaba el hogar de Sriyuta Debendranath Thakur, quien era conocido como Jora Shanko [la mansión de la familia Tagore]. El honorable Dvijendranath Thakur era el hermano mayor de mi amigo Sriyuta Satyendra Nath Thakura y también de mi hermano mayor. Si entre ellos existía alguien quién era verdaderamente un amigo cercano, ese era baro dada. Él era caritativo, de buen carácter, tenía amor puro y era honesto, mi corazón se sentía animado por él. Al verlo todos mis problemas desaparecen. Yo me senté a su lado y discutimos varios libros en sánscrito. Yo tenía mucho afecto por Satyendra Nath, pero era siempre sobrecogido por las grandiosas cualidades de Dvijendranath Babu.

Él no tenía apego a asuntos mundanos, y cuando yo estaba con él me sentía feliz y abandonaba los pensamientos de objetos materiales. Siendo así, estar a su lado era muy favorable para mí, pero estar con otras personas no era tan positivo. En esa época, yo leí muchos libros sobre la ciencia de Dios, la cual era la ciencia particular que conseguía remover la ansiedad de mi corazón. Nosotros discutíamos Kant, Goethe, Hegel, Swedenborg, Schopenhauer, Hume, Voltaire y otros. Habiendo discutido los libros de muchos de estos escritores, llegué a cierta conclusión filosófica en mi mente. Baro dada Dvijendranath escuchó mi conclusión y después de pensar en ella profundamente, respondió “Oh hermano Kedar, tu entendimiento es muy profundo. Yo no soy capaz de refutarlo”. Baro dada era un intelectual en el conocimiento de los padarthas era inigualable. “Rabindranath Tagore era el hermano menor de Dvijendranath Tagore, quien era el hijo mayor de Debendranath Tagore”.

Rabindranath Tagore se encontró con Srila Bhaktivinode Thakur y Srila Prabhupada y cantó para ellos:

Un día en 1881, Dvijendranath Tagore acompañado por Rabindranath Tagore vino a Bhaktibavana, Calcutta para encontrarse con Thakur Bhaktivinode. En ese momento Bhimala Prasad (Srila Prabhupada) se encontraba allí. Rabindranath estaba vestido como un hombre Punjabi. Dvijendra Babu bromeando le dijo a Bhaktivinode Thakur, “Él es de Punjab, su nombre es Braun Simha”. En ese momento Rabindranath Tagore le obsequió su libro ‘Bhanusinghera Padavali’ (Poesía por Bhanu Simha) a Srila Bhaktivinode Thakur. A petición de Bhaktivinode Thakur, Rabindranath cantó una de sus famosas canciones ‘Mathuraya’ (En Mathura):

[Inserte Audio]


Intenté tocar la flauta
pero la flauta permaneció en silencio 

La brisa esta soplando: los 
ruiseñores están cantando

El jardín ha vestido su ropaje de
nuevos retoños.

Intenté tocar la flauta
pero la flauta permaneció en silencio.

Los árboles Bakula florecientes
me encantaron.

El zumbido de los abejorros
me recuerdan;

No es este Vrindavan?
Dónde está aquel con rostro de Luna?

Están sus tobilleras sonando en los
caminos de los bosques.

Estoy sentado solo en el bosque.
El viento derrumba mis 

ornamentos amarillos.
Oh amigo! Mi corazón se disuelve

recordando su rostro de Luna.
Intenté tocar la flauta 

pero la flauta permaneció en silencio.
Oh flauta! Bondadosamente canta

por lo menos una vez, “Radhe Radhe”
En lo más profundo de tu corazón.

La noche es embellecida 
con los rayos de una dulce luna.

Dónde está la mujer ansiosa?
La guirnalda de Malati

se marchita.
Mi corazón duele, debido

al fuego de la separación.
La noche está muriendo.

El poeta de mi corazón está impaciente.
Que grande error cometió mi fortuna!

Por qué han brotado esta noche 
en Mathura

Intenté tocar mi flauta
pero estaba callada.

La influencia de las canciones de Rabindranath en Srila Prabhupada:

Srila Prabhupada una vez dijo que él no tenía mucha pasión por la música. Pero después e escuchar las canciones de Rabindra Babu, su canción por la música aumentó un poquito. Porque las palabras de Rabindranath eran muy claras. Prabhupada no podía entender el verso cantado por los cantores Padhavali de Manohara Sahi o géneros Reneti ya que las palabras pronunciadas por ellos eran indistinguibles. Srila Prabhupada nunca tuvo afinidad por tonalidades, cualidades o ejercicios rítmicos. A él le gustaban mucho las palabras. Esta era su característica especial.

Srila Bhaktivinode Thakur en el Kirtan Vaishnava de Rabindranath Tagore:

En Sajjanatoshani Patrika, Srila Bhaktivinode Thakur Mahasaya escribió a Rabindranath Tagore —

“Nos gustaría solicitar a Rabindra Babu y Srishababu que, cuidadosamente, escriban la historia del kirtan vaishnava o un libro histórico científico acerca de este tema para el placer de los Vaishnavas. El libro trataría de todos los raga-ragini, tal-mana, y tonalidades del kirtan. Las biografías de Reneti, Garanahati, los Acharyas del Man-oharasahi, y mahajanas descritas en detalle.” (Sajjanatoshani 2.9)

Srila Prabhupada se encuentra con Rabindranath Tagore en la mansión de Jorasanko Thakura (La mansión familiar de los Tagore en Jorasanko):

Mientras Srila Prabhupada expresaba su deseo de predicar las enseñanzas de Sri Chaitanya Mahaprabhu en otros países, especialmente en países europeos. En Abril 18, 1928, él se encontró con Rabindranath Tagore en Jorasanko Thakura Badi por solicitud propia.

El hermano mayor de Rabindranath Tagore, Dvijendranath Tagore era un amigo cercano de Srila Bhaktivinode Thakur. Y Satyendranath Tagore era un compañero de clase de Srila Bhaktivinode Thakur. La unión entre estas dos familias era muy profunda. Recordando esta conexión, Srila Prabhupada fue a la mansión de Jorasanko Tagore para encontrarse con Rabindranath. Esto hizo a Rabindranath muy feliz. Él le dio la bienvenida a Srila Prabhupada como un Acharya. Después, discutieron sobre problemas de la propagación de las enseñanzas sobre el Señor Chaitanya Mahaprabhu en los países occidentales, especialmente en países europeos. En este contexto, Srila Prabhupada explicó la conclusión profunda de las enseñanzas de Sri Chaitanya Mahaprabhu.

Rabindranath Tagore tenía un dulce vínculo con Srila Bhaktivinode Thakur y Srila Prabhupada.


Related Post